জামালগঞ্জের ভীমখালী বাজারে বসতে দেওয়া হয়নি বৃহত্তম গরুর হাট

কালনী ভিউকালনী ভিউ
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৭:০২ PM, ১১ জুলাই ২০২১

জামালগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

কঠোর লকডাউনের কারনে জামালগঞ্জের ভীমখালী বাজারে বৃহত্তম গরুর হাট বসতে দেওয়া হয়নি।রবিবার সকাল থেকেই জামালগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও জামালগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ হাটে আসা বিভিন্ন গরু পাইকারদেরকে বাজার থেকে সরিয়ে দেন। সপ্তাহের প্রতি রবিবার ভীমখালী হাটে চার পাঁচশত গরু বেঁঁচা কেনা হয়। এসব গরু রাজধানী ঢাকা , সিলেট জাউয়া বাজার সহ বিভিন্ন এলাকার পাইকাররা এই বাজার থেকে বিভিন্ন বাজারে নিয়ে যায়।
কোরবানীর ঈদ এলেই এই বাজারের বেচাঁকেনা অনেক বেড়ে যায়। ঈদ সামনে রেখে গরুর হাট বন্ধ হওয়ায় এই এলাকার গরুর মালিক ও ব্যবসায়ীরা চরম বিপাকে পড়েছেন । জামালগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ রেদুয়ানুল হালিম বলেন করোনা সংক্রমন প্রতিরোধে সরকারী নির্দেশনার আলোকে ভীমখালী গরুর হাট বসতে দেওয়া হয়নি। সকাল থেকেই পুলিশ প্রশাসন সহ আমরা এ বাজারে অবস্থান করছি।

স্থানীয় কয়েকজন গরু ব্যবসায়ী বলেন তারা ছয় মাস ধরে তাদের গরু গুলো উপযুক্ত খাবার ও লালন পালন করে কোরবানীর হাটে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করেছেন। রবিবার ভীমখালী বাজারে বারোটি গরু বিক্রি করার কথা ছিল। সরকার হাটে বিক্রি করতে না দেওয়ায় চরম ক্ষতি হয়েছে আমাদের।
ভীমখালী গরুর হাটের ইজারাদার মোঃ বদিউজ্জামান জানান কোরবানীর ঈদের আগে ভীমখালীর গরুর হাট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঈদের আগে তিনটি হাটই আমাদের সারা বছরের অর্ধেক আয় হয়। গত রবিবার এবং এই রবিবারে লকডাউনের কারনে গরুর হাট বসতে না দেওয়ায় আমাদের প্রায় পনেরো লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে। গরু বাজারে আসতে না দেওয়ায় রাস্তাঘাটে অনেক গরু বিক্রি হয়েছে। আমরা খাজনা থেকে বঞ্চিত হয়েছি।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেব বলেন করোনার লকডাউনের কারনে সরকারী নিষেধাজ্ঞা থাকায় গরুর হাট বসতে দেওয়া হয়নি। ঈদ উপলক্ষ্যে পরবর্তীতে গরুর হাটের ব্যাপারে কোন নির্দেশনা আসলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন :