দিরাইয়ে গ্রেনেড হামলা: কষ্টে আছে নিহত ওয়াহিদের পরিবার

কালনী ভিউকালনী ভিউ
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ১০:১৯ PM, ২১ জুন ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক::
২০০৪ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের দিরাই বাজারের জনসভায় গ্রেনেড হামলায় ঘটনাস্থলেই মারা যান ডিঙি নৌকার মাঝি আব্দুল ওয়াহিদ।

আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা আব্দুল ওয়াহিদ কে নিজ দলের কর্মী সাজিয়ে কিছু দিন গলা ফাটিয়ে হাউমাউ করলেও এরপর আর কেউ খুঁজ রাখেনি নিহত পরিবারের। বর্তমানে নিহত ওয়াহিদের পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে। ওয়াহিদের মেয়ে ফারজানা বেগম (৩০) মরণব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত। টাকার অভাবে ব্যয় বহুল চিকিৎসা করাতে পারছেনা তার পরিবার।

আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও মামলার এজহার সূত্রে জানা যায়,২০০৪ সালের ২১ জুন সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের দিরাই বাজারের জনসভায় গ্রেনেড বিস্ফোরিত হয়। সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত অল্পের জন্যে রক্ষা পেলে ও জনসভাস্থলে মারা যান আব্দুল ওয়াহিদ। আহত হন আওয়ামী লীগের ২৫ জন নেতাকর্মী। এ ঘটনায় দিরাই থানার তৎকালীন এসআই হেলাল উদ্দিন বাদী হয়ে অজ্ঞাত নামা ব্যক্তিদের আসামি করে দিরাই থানায় মামলা করেন। দিরাই থানা পুলিশ থেকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ হয়ে মামলাটি তদন্তের জন্য সিআইডিতে স্থানান্তর করে পুলিশ সদর দপ্তর। এখন ও বিচার শেষ হয়নি।

এব্যাপারে নিহত ওয়াহিদের স্ত্রী শাহানারা বলেন,তিনি মারা যাওয়ার পর আমাদের এমপি বাবু সহ আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী আমাদের বাড়িতে এসেছেন, ব্যক্তিগত ভাবে অনেকে সহযোগিতা করেছেন কিন্তু দলীয় ভাবে আজও কোনো আশানুরূপ সাহায্য পাইনি। আমার মেয়ে ফারজানা বেগম মরণব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত। টাকার অভাবে উন্নত চিকিৎসা করাতে পারছিনা। তিনি মারা যাওয়ার পর থেকে খুবই কষ্টে দিন কাটাচ্ছি।

আপনার মতামত লিখুন :