ঢাকাবৃহস্পতিবার , ২৭ মে ২০২১
  1. অর্থনীতি
  2. আইটি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. খেলাধুলা
  5. জাতীয়
  6. দিরাই শাল্লার খবর
  7. ধর্ম
  8. প্রবাস
  9. বিনোদন
  10. মুক্ত মতামত
  11. মুক্তমত
  12. মৌলভীবাজার
  13. রাজনীতি
  14. লিড নিউজ
  15. শিক্ষা

বল্লী পুরাতন জামে মসজিদের কথা- ফারুকুর রহমান চৌধুরী

কালনী ভিউ
মে ২৭, ২০২১ ২:২৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নেত্রকোণা জেলার খালিয়াজুরি উপজেলার চাকুয়া ইউনিয়নের বল্লী গ্রামে একটি পুরাতন মসজিদ আছে। মসজিদটি ১৩৫০ বাংলায় সংস্কার করা হয়েছে। এসময় মসজিদের জরাজীর্ণ সীমানা প্রাচীর ও গেইট ভেঙ্গে মুসল্লিদের নামাজের সুবিধায় সামনের বারান্দা নির্মাণ করা হয়েছে। এক শতাংশ জমির উপর প্রতিষ্ঠিত এক গুম্বুজ বিশিষ্ট এই মসজিদের কারুকাজ ও নির্মাণশৈলি দর্শনে মোগল আমলে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বলে প্রতিয়মান হলেও এটি প্রতিষ্ঠা সম্পর্কে লিখিত কোনও ইতিহাস পাওয়া যায়নি। তবে এটি প্রতিষ্ঠা সম্পর্কে রয়েছে ভিন্ন জনের ভিন্ন মত। কারো মতে এটি আটশত বছর পূর্বে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল কারো মতে আড়াইশত/ তিনশত মতান্তরে সাড়ে তিনশত বছর পূর্বে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তাই বল্লী পুরাতন মসজিদ নিয়ে আমাদের আগ্রহ সৃষ্টি হলে ব্যাপক অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে নানান তথ্য উপাত্ত। আমাদের তথ্য সংগ্রহ কাজে সার্বিক সহযোগীতা করেছেন খালিয়াজুরি উপজেলার মেহেন্দিপুর ইউনিয়নের বলরামপুর গ্রামের বাসিন্দা জনতার কন্ঠ অনলাইন পত্রিকার রিপোর্টার ইদু খান। তাঁর মাধ্যমে পরিচয় ও কথা হয় খালিয়াজুরি উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের সাথে। এরই ধারাবাহিকতায় উপজেলা ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা অমিতাভ বিশ^াস এবং দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার খালিয়াজুরি প্রতিনিধি সফিকুল ইসলাম প্রমুখের সাথে কথা বলে জানা যায়- বল্লী পুরাতন জামে মসজিদের মতো একই অবকাঠামো ও নির্মাণশৈলির আরেকটি মসজিদ রয়েছে নেত্রকোণা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার হারুলিয়া গ্রামে। উভয় মসজিদ একই সময়ে প্রতিষ্ঠিত। যেহেতু বল্লী মসজিদ সম্পর্কে নির্ভরশীল তথ্য পাওয়া যায়নি তাই হারুলিয়া মসজিদ আমাদের আগ্রহ বাড়িয়ে দেয়। তাই যোগাযোগ হয় কেন্দুয়া এবং খালিয়াজুরি উপজেলার একাধিক লেখক ও স্থানীয় ব্যক্তিবর্গের সাথে। এই অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে রাখাল বিশ^াস প্রণীত বিভাস প্রকাশনী, ঢাকা থেকে ২০২০ সালে প্রকাশিত ‘লোক সাহিত্যের অন্বেষনে’ বই। কেন্দুয়া নিবাসী প্রাগুক্ত গ্রন্থের লেখক রাখাল বিশ^াসের সাথে যোগাযোগ করে তাঁর বইটি সংগ্রহ করি। উল্লেখিত বইয়ের ১৮৬ পৃষ্ঠায় হরুলিয়া দক্ষিণ পাড়া জামে মসজিদ নিয়ে প্রকাশিত রাখাল বিশ^াসের লেখাটি ২০১৬ সালের ২০ জুন আমাদের সময় পত্রিকায়ও প্রকাশিত হয়েছিল। তিনি লিখেছেন- মোগল স¤্রাজ্যকাল ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খিলজীর শাসনামলে জনৈক শাইখে মোহাম্মদ ইয়ার নামক এক ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি ১২০০ খ্রিষ্টাব্দে মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করেন। …মসজিদের ভেতরের দেয়ালের গায়ে ফার্সিতে শাইখে মোহাম্মদ ইয়ারের নাম লেখা রয়েছে। সেখানে ১২০০ খ্রিষ্টাব্দ লেখা থাকায় মনে হচ্ছে, তিনিই মসজিদটির প্রতিষ্ঠাতা। এছাড়াও ফার্সিতে আরও লেখা রয়েছে ‘শাইখে মোহাম্মদ ইয়ারে বাসিন্দা/হারুলিয়া বসিটকে/আইজ দীনে সুধাবানী মসজিদ/হাজারে দু’সাদ্দেখানা দু’সনমে বুয়াত/বাহাতুপে আমুদা তারকে সালেশে।” ফার্সি ভাষা সম্পর্কে আমাদের অভিজ্ঞতা না থাকায় উল্লেখিত ফার্সি শব্দগুলোর অর্থ উদঘাটন করা আমাদের পক্ষে সম্ভব হয়নি। তার পরেও হারুলিয়া মসজিদের প্রতিষ্ঠা সন আমাদের ভাবনা ফেলে দেয় দুটো কারণে, প্রথমটি- ইমামগণ মসজিদ প্রতিষ্ঠা সম্পর্কিত তথ্যে সচরাচর হিজরি সনে লিখে থাকেন অথচ হারুলিয়া মসজিদে খ্রিষ্টাব্দ লেখা রয়েছে তাও আবার ফার্সি ভাষায়। দ্বিতীয়টি ১) রাখাল বিশ^াস তাঁর লেখায় মসজিদ প্রতিষ্ঠা সম্পর্কে প্রথমে মোগল স¤্রাজ্যকাল উল্লেখ করেছেন আবার প্রতিষ্ঠা সন ১২০০ খ্রিষ্টাব্দ উল্লেখ করেছেন। সঙ্গত কারণে এ বিষয়ে আরেকটু অনুসন্ধান করলে বেরিয়ে আসে ২০১৩ সালে ময়মনসিংহ থেকে প্রকাশিত খন্দকার সফিকুল ইসলাম প্রণীত ‘ইতিহাসের পাতায় কেন্দুয়া’ বইটি। উল্লেখিত বইয়ের ৮৯ পৃষ্ঠায় লেখা হয়েছে- হারুলিয়া, ‘এখানে প্রাচীন নবাবী আমলের একটি মসজিদ আছে। ইহা বাংলার নবাব মুর্শিদ কুলি খাঁ’র আমলে স্থাপিত হইয়াছিল বলিয়া বিশেষজ্ঞগণের ধারণা’। আমরা বল্লী পুরাতন মসজিদ সরেজমিন দেখলেও হারুলিয়া মসজিদ বাস্তবে দেখিনি। তবে বল্লী মসজিদ বাস্তবে এবং হারুলিয়া মসজিদের ছবি দেখে খন্দকার সফিকুল ইসলামের দেয়া তথ্যটি সমধিক গ্রহণযোগ্য বলে আমাদের কাছে মনে হয়েছে। তাছাড়া ঐ সময় অর্থাৎ নবাব মুর্শিদ কুলি খাঁ’র আমলে খালিয়াজুরি পরগণা এবং নছিরুজ্জিয়াল (কেন্দুয়া) পরগণা দুটির জমিদার ছিলেন ঈশা খা’র পারিষদ মজলিস জালালের অধস্থন বংশধর। তাঁরা বর্তমান কেন্দুয়া উপজেলার রোয়েল বাড়িতে বসবাস করে জমিদারি দুুটি পরিচালনা করতেন। সুতরাং ঐ সময় একই জমিদারের মালিকানাধীন দুটি পরগণায় একই অবকাঠামোর দুটি মসজিদ প্রতিষ্ঠা লাভ করা অবান্তর নয়।

বল্লী পুরাতন মসজিদের নির্মাণশৈলী ও কারুকাজ দেখে আমাদের কাছে মনে হয়েছিল এটি মোগল আমলের প্রতিষ্ঠিত। তাছাড়া ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খলজির শাসন আমলে খালিয়াজুরি এলাকায় মুসলিম অধিবাসী থাকার কোনও প্রমাণ পাওয়া যায় না। ঐ সময় খালিয়াজুরি এলাকায় বিভিন্ন ক্ষুদ্রনৃগোষ্ঠীর বসবাস ছিল। এছাড়া মসজিদের অবকাঠামো দর্শনেও আটশত বছরের পুরনো বলে প্রতিয়মান হয় না। তাই বল্লী পুরাতন জামে মসজিদের রেকর্ডপত্র সংগ্রহের চেষ্ঠা করি। ব্যাপক অনুসন্ধানের পর বল্লী পুরাতন মসজিদ কমিটির সভাপতির মাধ্যমে একটি আবেদন পত্র আমাদের হাতে আসে। মসজিদ কমিটির পক্ষে মোঃ মনু মিয়া স্বাক্ষরিত ‘মসজিদের মুতাওয়াল্লী বরাবরে ভূমি বন্দোবস্তের জন্য’ জেলা প্রশাসক নেত্রকোণা বরাবরে অনলাইনের মাধ্যমে দাখিলকৃত ১০০০৮২৭১৭০৬২২০০৪ নং আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে বল্লী মসজিদ ৩০০ বছর আগে মোগল আমলে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এই আবেদনের সূত্র ধরে কথা হয় মসজিদ সংলগ্ন বাড়ির মালিক গোলাম আতাহার তালুকদারের সাথে। তিনি জানান তাঁর পূর্বপুরুষ নেওয়াজ মাহমুদ তালুকদারের নামে একটি সিকিমি তালুক ছিল। এই সিকিমি তালুক কেন্দ্র করে তিনশত কিংবা সাড়ে তিনশত বছর পূর্বে বল্লী পুরাতন মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছিল। গোলাম আতাহার তালুকদারের মাধ্যমে জানা যায় বর্তমানে নেওয়াজ তালুকদারের অধস্থন সপ্তম পুরুষ চলছে। তাঁর দেয়া কুষ্ঠী অনুযায়ী (নেওয়াজ মাহমুদ তালুকদারের ছেলে কেয়ামত উল্লা তালুকদার; তাঁর ছেলে জিকির আলী তালুকদার; তৎপুত্র মিয়া হোসেন তালুকদার; তাঁর ছেলে গোলাম আতাহার তালুকদার) তিন পুরুষে শতাব্দী গণনা করলে ৭ পুরুষে ২৩৩ বছর হয়। এ হিসেবে (২০২১-২৩৩=১৭৮৮খ্রিস্টাব্দ) নেয়াজ মাহমুদ তালুকদার কোম্পানী আমলের লোক। সুতরাং গোলাম আতাহার তালুকদার’র বক্তব্য অনুযায়ী তাঁর পূর্বপুরুষ প্রাপ্ত সিকিমি তালুক কেন্দ্র করে বল্লী পুরাতন মসজিদ নির্মাণের দাবী গ্রহণ করতে হলে দলিল দস্তাবেজ সংগ্রহের প্রয়োজন দেখা দেয়। এ প্রেক্ষিতে নেত্রকোণা এবং ময়মনসিংহ উভয় জেলার মহাফেজ খানায় ব্যক্তিগত ভাবে যোগাযোগ করে উপযুক্ত তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। তাই, আমরা আশাকরি গোলাম আতাহার তালুকদার তাঁর পূর্ব পুরুষের নামে বন্দোবস্তকৃত নেয়াজ মাহমদু তালুকদার সিকিমি তালুক সংক্রান্ত কাগজাত আমাদের দেখাবেন। আমরা ইতিহাস ঘেটে জেনেছি নবাব মুর্শিদ কুলি খাঁ’র সময় সীকিমি তালুক প্রথা ছিল। ঐ সময় খালিয়াজুরি পরগণার জমিদার ছিলেন মজলিস জালালের অধস্থন বংশধর। ১৭৯৩ সালের চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সময় লাখেরাজ বক্তার খা নামে একটি বাদশাহী লাখেরাজ ও লাখেরাজ মামুদ ইয়ার মামুদ মুরাদ নামে একটি অ-বাদশাহী লাখেরাজ নথিভূক্ত হয়েছে; যা মোগল আমলে সৃষ্টি। জানা যায়, এ লাখেরাজ বক্তার খা এস্টেট সৃষ্টির পর থেকে বর্তমান বল্লী গ্রামের বড়হাটি ও তাঁদের গোষ্ঠী কদমতলার চৌধুরীদের পূর্বপুরুষের ভোগে ছিল। সি এস রেকর্ড অনুসন্ধান করে দেখা যায় বল্লী গ্রামে উল্লেখিত দুটি লাখেরাজ এস্টেটের সম্পত্তি ছিল। তাই উল্লেখিত লাখেরাজ কেন্দ্র করে নাকি সীকিমি তালুক কেন্দ্র করে বল্লী পুরাতন জামে মসজিদ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল তা নিয়ে মতভেদ দেখা দিলেও ধারণা করা যাচ্ছে বল্লী পুরাতন মসজিদের বয়স তিনশত বছরের অধিক নয়।

এ পর্যায়ে বল্লী পুরাতন মসজিদের অবস্থানগত দিক বিবেচনায় নথিপত্র ঘেটে যে তথ্য আমাদের সংগ্রহে এসেছে তা হচ্ছে- ১৯১৭ সালে অনুষ্ঠিত সিএস রেকর্ড অনুযায়ী বল্লী মৌজার দাগ নং ১০০ (নেওয়াজ মাহমুদ তালুকদারের বাড়ি ৪১ শতক ভূমি), দাগ নং ১০১ (মসজিদ ৫ শতক ভূমি), দাগ নং ১০২ (পুকুর ৬৬ শতক ভূমি)। আর ও আর রেকর্ড অনুযায়ী উল্লেখিত ভূমির দাগ নং ১০১ (পরিমান ৫ শতক) ও দাগ নং ১০২ সর্বমোট পরিমান ৮০ শতাংশ, বি আর এস রেকর্ড অনুযায়ী খতিয়ান নং ১, দাগ নং ১৪৩ ও ১৪৫ পরিমান ৬১ শতক ভূমি।

প্রসঙ্গত উল্লেখ থাকা প্রয়োজন খালিয়াজুরি পরগণার জমিদারি করেছেন ভাটি অঞ্চলের শাসনকর্তা ঈশা খা, তার পুত্র মুসা খা, অতঃপর পৌত্র মাসুম খা। ১৭০০ খ্রিস্টাব্দের পর খালিয়াজুরি পরগণা ঈশা খাঁ’র বংশধরদের হস্তচ্যুত হয়ে ঈশা খাঁ পারিষদ মজলিস জালালের অধস্থন বংশধরদের হস্তগত হয়। এসময় উল্লেখিত লাখেরাজ এস্টেট দুটির উৎপত্তি হয়েছে। ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দে থেকে ১৭৯৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত খালিয়াজুরি পরগণার জমিদার ছিলেন ৫ জন হিন্দু ও ৪ মুসলিম জমিদার। অতঃপর ১৭৯৮ খ্রিস্টাব্দে পরগণার আট আনা জমিদারি ক্রয় সূত্রে বাকী আট আনা জমিদারি বন্ধকি সূত্রে মালিক হন পুরান ঢাকার আর্মানিটুলা বাসিন্দা খাজে ওয়ালিস। ১৮০৮ খ্রিস্টাব্দে পরগণার আট আনা জমিদারির ক্রয় সূত্রে মালিক হন মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া উপজেলার ধানকোড়ার জমিদার; এই অংশ থেকে আদালত মারফতে ক্ষিয়দাংশের মালিক হন মদন উপজেলার কদম্বশ্রী গ্রামের আকতরজমা খা সর্বোপরি ১৮৫৬ সালের পর খাজে ওয়ালিসের আট আনা জমিদারির চার আনা অংশ ক্রয় সূত্রে মালিক হন টাঙ্গাইল জেলার কড়টিয়ার জমিদার, অবশিষ্ট চার আনা জমিদারি ক্রয় সূত্রে মালিক হন ধানকোড়ার জমিদার। এরই মাধ্যমে লাখেরাজ এস্টেট দুটিরও মালিক হন ধানকোড়া, কড়টিয়া এবং কদম্বশ্রীর জমিদারগণ। ১৮৫৬ সাল থেকে ১৯০০ খ্রিস্টাব্দের মাঝামাঝি কোন এক সময় এই লাখেরাজ এস্টেট এর কড়টিয়া এবং কদম্বশ্রী অংশের উপরিস্থ স্বত্বের মালিকানা লাভ করেন বল্লী বড়হাটি এবং তাঁদের গোষ্ঠী কদমতলার চৌধুরীগণ। আমাদের সংগ্রহে থাকা, ১৯১৭ সালে অনুষ্ঠিত সি এস রেকর্ড পর্চা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, খালিয়াজুরি পরগণার বল্লী মৌজায় লাখেরাজ বক্তার খা এস্টেট করমুক্ত উপরিস্থ স্বত্বের মালিক ছিলেন ধানকোড়ার জমিদার; এই অংশের মধ্যস্বত্ব ছিলেন বল্লী বড়হাটির চৌধুরীগণ। এছাড়াও লাখেরাজ বক্তার খা করযুক্ত উপরিস্থ স্বত্বের মালিক ছিলেন বল্লী কদমতলার চৌধুরী এবং তাঁদের গোষ্ঠী বড়হাটির চৌধুরীগণ। এছাড়াও লাখেরাজ মামুদ ইয়ার মামুদ মুরাদ এর করমুক্ত উপরিস্থ স্বত্বের মালিক ছিলেন ধানকোড়া, কড়টিয়া এবং কদম্বশ্রীর জমিদারগণ। এই অংশের মধ্যস্বত্ত্ব ছিলেন বল্লী বড়হাটির অপর চৌধুরীগণ। জমিদার এবং লাখেরাজ সকল এস্টেট’র তৌজি নং ৭৪, পরগণা খালিয়াজুরি।

লেখক : ফারুকুর রহমান চৌধুরী, গীতিকার বাংলাদেশ বেতার এবং বহুমাত্রিক লেখক, দিরাই, সুনামগঞ্জ। মোবাইল ০১৭১২৩২৯৭৩৭

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।