জামালগঞ্জে সিকান্দর হত্যায় প্রকৃত আসামীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন

কালনী ভিউকালনী ভিউ
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০১:৩০ AM, ২৩ মে ২০২১

জামালগঞ্জ প্রতিনিধি::
সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ উপজেলার হরিপুর গ্রামের বাসিন্দা ইজিবাইক চালক সিকান্দর আলীর ঘাতকদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শুক্রবার রামনগর বাজারে খাদিমুল কোরআন পরিষদের আয়োজনে মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন পরিষদের সভাপতি মাওলানা কামরুল হক। মাওলানা সিদ্দিকুর রহমানের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন বর্মাত্তর, রামনগর, বানীপুর মাদ্রাসার সাবেক মুহতামিম মাওলানা মাহমুদ হোসেন, তেরোগ্রাম মহিলা মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা তফাজ্জল হক, মাওলানা আলতাফুর রহমান, স্থানীয় ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান, সাংবাদিক শেরে আল শেরু, মাওলানা কামরুল আমিন, মাওলানা মনির আহমদ, ইজিবাইক সমিতির সভাপতি আব্দুল আলিম, খাদিমুল কোরআন পরিষদের সহ সাধারণ সম্পাদক মাওলানা বশির গনি, মাদ্রাসা শিক্ষক জহিরুল ইসলাম, বশির আহমেদ, জুবায়ের আহমদ, মাওলানা সিদ্দিকুর রহমান, মাওলানা হাফিজুর রহমান, মাওলানা মাহবুবুল হক, মাওলানা নেছার আহমেদ প্রমুখ। অপরদিকে, সাচনা বাজার ইউনিয়নের শুকদেবপুর মিলনবাজারে শুকদেবপুর, রাধানগর ও রাঙামাটি গ্রামবাসীর উদ্যোগে আরেকটি মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন সাবেক শিক্ষক মো. উমর গনি। মো. জিয়াউদ্দিনের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন সাচনা বাজার ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. জয়নাল আবেদীন, রাঙামাটি গ্রামের মুরব্বী মো. শেরুজ্জামান মাস্টার, নয়া শোকদেবপুর গ্রামের সুলেমান মিয়া, মহিবুর রহমান, মো. ফরিদ উদ্দিন, ফখরুল হাসান, আব্দুল হক, সুনামগঞ্জ জেলা শ্রমিক লীগের সদস্য সায়েম পাঠান, ইউপি সদস্যা সুহেনা বেগম, সাবেক ইউপি সদস্য মো. জসীম উদ্দিন সোহেল, পল্লী চিকিৎসক আতিকুল হক, মো. এমদাদ হোসেন প্রমুখ।
এ সময় বক্তারা বলেন, সিকান্দর খুনের ১০ দিন অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত খুনী শনাক্ত করা যাচ্ছে না। যার কারণে এলাকাবাসী আতঙ্কগ্রস্ত আছেন। এর আগে এ অঞ্চলে এ ধরনের নৃশংস হত্যাকান্ড কখনও ঘটেনি। সিকান্দরের মতো একজন নিরীহ মানুষকে যে বা যারা খুন করেছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
উল্লেখ্য যে, গত ১২ মে সকালে সাচনা বাজার ইউনিয়নের শরীফপুর গ্রামের রাস্তার পাশ থেকে সিকান্দর আলীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত সিকান্দর উক্ত ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামের আব্দুর রউফের ছেলে। এ ব্যাপারে জামালগঞ্জ থানার একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে নিহত সিকান্দরের স্ত্রীর বড় বোন মোছা. শেফা আক্তার জানান, আমার ভগ্নিপতি খুন হওয়ার ১০ দিন অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত খুনী পরিচয় শনাক্ত করতে পারছে না পুলিশ। আমি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি যেন প্রকৃত খুনীকে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনা হোক।

আপনার মতামত লিখুন :