ঢাকামঙ্গলবার , ২৭ এপ্রিল ২০২১
  1. অর্থনীতি
  2. আইটি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. খেলাধুলা
  5. জাতীয়
  6. দিরাই শাল্লার খবর
  7. ধর্ম
  8. প্রবাস
  9. বিনোদন
  10. মুক্ত মতামত
  11. মুক্তমত
  12. মৌলভীবাজার
  13. রাজনীতি
  14. লিড নিউজ
  15. শিক্ষা

জামালগঞ্জে দুই কিশোরীকে অজ্ঞান করে ধর্ষণ

কালনী ভিউ
এপ্রিল ২৭, ২০২১ ৭:৫৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

জামালগঞ্জ প্রতিনিধি:
জামালগঞ্জে দুই কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার জামালগঞ্জ থানায় এ অভিযোগটি দায়ের করেন জামালগঞ্জ সদর ইউনিয়নের চাঁনপুর কান্দাহাঁটি গ্রামের নূরে আলম (৩৫)। এতে অভিযুক্ত করা হয়েছে চাঁনপুর আবুরহাঁটি গ্রামের বজলু মিয়ার ছেলে ধর্ষক আলমগীর মিয়া (২৫) ও হরমুজ আলীর ছেলে আবুল কালাম (২৬)। গত সোমবার রাতে এ ঘটনাটি ঘটে। ধর্ষণের শিকার দুই কিশোরীর একজন অভিযোগকারী নূরে আলমের মেয়ে ও আরেকজন একই গ্রামস্থ শেখহাঁটির খলিল মিয়ার পালক মেয়ে। তারা এখন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসি ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে।

অভিযোগে জানা যায়, ধর্ষিতা দু’জনেই রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরের একটি পোষাক কারখানায় কাজ করে। করোনা লকডাউনের জন্য পরিবারের সাথে তারা বাড়িতে আসে। সোমবার সন্ধ্যায় পোষাক কারখানা খোলার খবরে ভিকটিম দু’জন ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়। বাড়ি থেকে তারা চাঁনপুর হারুন মার্কেটের সামনে এসে অভিযুক্ত আবুল কালামের টমটমে উঠে। এ সময় সে তার বন্ধু আলমগীরকেও গাড়িতে উঠায়। একপর্যায়ে ভিকটিমদ্বয় জামালগঞ্জ ফেরিঘাটে এসে টমটম থেকে নামতে চাইলে টমটম চালক ঢাকার গাড়ি চলে না বলে তাদেরকে জানায়। তখন তারা বাড়ি ফেরার জন্য ওই গাড়িতে উঠে বসে এবং অভিযুক্ত আলমগীর তাদের হাতে জুস ধরিয়ে দিয়ে জোরপূর্বক খেতে বাধ্য করে। জুস খেয়ে ভিকটিম দু’জনেই অসুস্থ হয়ে পড়ে। অসুস্থ অবস্থায় আলমগীর ও কালাম তাদেরকে চাঁনপুর গ্রামের পার্শ্ববর্তী কান্দার ক্ষীরা ক্ষেতে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এরপর ধর্ষণের কথা কাউকে বললে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে ধর্ষকরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে রাত অনুমান ১১টায় একই গ্রামের তোফাজ্জুল হোসেন ধান নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে ভিকটিমদেরকে ঘটনাস্থলে পড়ে থাকতে দেখে স্বজনকে খবর দিলে অভিযোগকারী স্থানীয় মেম্বার ও প্রতিবেশীদের সহায়তায় তাদেরকে জামালগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থা গুরুতর হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ভিকটিমদের সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

এ ব্যাপারে জামালগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সাইফুল আলম জানান, মামলাটি প্রক্রিয়াধীন আছে। অভিযুক্তদের ধরতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।