ঢাকাসোমবার , ২৬ এপ্রিল ২০২১
  1. অর্থনীতি
  2. আইটি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. খেলাধুলা
  5. জাতীয়
  6. দিরাই শাল্লার খবর
  7. ধর্ম
  8. প্রবাস
  9. বিনোদন
  10. মুক্ত মতামত
  11. মুক্তমত
  12. মৌলভীবাজার
  13. রাজনীতি
  14. লিড নিউজ
  15. শিক্ষা

জামালগঞ্জে রমজানে রাস্তার খাবারে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি

কালনী ভিউ
এপ্রিল ২৬, ২০২১ ১:৫৩ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

মো.ওয়ালী উল্লাহ সরকার,জামালগঞ্জ প্রতিনিধি:
মানুষের নিজের অজান্তেই খাবারের মাধ্যমে শরীরে ঢুকছে বিভিন্ন প্রাণীর মলমূত্রে থাকা ব্যাকটেরিয়া ই-কোলাই। এই ব্যাকটেরিয়া মূলত পানি ও পোকামাকড়ের মলমূত্রে থাকা জীবাণুর মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে। চিকিৎসকদের মতে, বেশির ভাগ পথে কিংবা রাস্তার খাবারেই বিপজ্জনক মাত্রায় এ ব্যাকটেরিয়া পাওয়া যায়। পথে কিংবা রাস্তার ধারে খাবারের দোকানে তৈরি খাবার জাতীয় খাদ্যে পরিবেশন ও খাওয়া পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াটিই অস্বাস্থ্যকর।
জামালগঞ্জ উপজেলার সদর ও সাচনা বাজারসহ বিভিন্ন হাটবাজারে পথের পাশে কিংবা ফুটপাতে প্রতিদিন বসে অসংখ্য ইফতারিসহ শরবতের খাবারের দোকান। বিশেষ করে জনসমাগম বেশি যে জায়গায় রাস্তার মোড়ে কিংবা রেস্টুরেন্টের সামনে এসব খাবারের দোকান বেশি থাকে। বিভিন্ন ধরনের রকমারি ইফতারি সামগ্রীসহ বিভিন্ন ফল মেশানো শরবত বর্তমানে মুখরোচক খাবার হিসেবে রোজাদারদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
বিভিন্ন তথ্যমতে জানা যায়, উপজেলার প্রায় ৫০ ভাগ মানুষ পথের ধারের খাবার গ্রহণ করেন কিংবা কিনে নিয়ে বাসায় বসে পরিবার নিয়ে খান। কিন্তু অনেকেই চিন্তা করেন না মুখরোচক এসব খাবার তৈরি ও পরিবেশনের প্রতিটি পর্যায়ে ব্যাকটেরিয়াসহ জীবাণু শরীরে প্রবেশের আশঙ্কা থাকে।
কয়েকজন চিকিৎসকের সাথে আলাপ করে জানা যায়, রাস্তা কিংবা পথের দোকানের খাবারেই বিপজ্জনক মাত্রায় টোটাল কালিফরম ই-কুলাই ব্যাকটেরিয়া থাকার সম্ভাবনা থাকে। এই ব্যাকটেরিয়া মূলত প্রাণীর যেমন মশা, মাছি, পোকামাকড় যারা সর্বদাই মলমূত্র বা অপরিচ্ছন্ন জায়গায় থাকে। পথের মাঝে থাকা বিভিন্ন খাবার থেকে নমুনা পরীক্ষা করলে এর সত্যতা পাওয়া যাবে। বিআরসির গবেষণা বলছে, প্রতি গ্রাম খাবারে ১ হাজার ১০০টির উপরে টোটাল কালিফরম ও ই-কুলাই পাওয়া গেছে। অথচ প্রতি গ্রাম খাবারে ৩০টির উপরে ব্যাকটেরিয়া থাকাই বিপজ্জনক।
এ বিষয়ে উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো. আহসান হাবিব বলেন, খোলা খাবারে ডায়রিয়া, আমাশয়, কৃমিসহ অন্যান্য রোগব্যাধি দেখা দিতে পারে। যা মানবদেহের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
ঝুঁকিপূর্ণ খাবার বিক্রিতে ব্যবস্থা কথা জানতে চাইলে তিনি জানান, লোকবল সঙ্কটের কারণে সারা উপজেলায় তদারকি করা সম্ভব হচ্ছে না।
এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মঈন উদ্দিন আলমগীর জানান, রাস্তার খাবার পরিহার করা ভালো। বিভিন্ন হাটবাজারে খোলা আকাশের নীচে যে সমস্ত ইফতারি কিংবা ফলের শরবতের দোকান রয়েছে সেগুলোতে ধুলাবালিসহ বিভিন্ন পোকামাকড়ের সংস্পর্শে খাবার দূষিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এসব খাবার খেলে পুষ্টির প্রচন্ডরকম ঘাটতি হতে পারে। তাই এসব খাবার পরিহার করে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খাওয়া শরীরের জন্য ভালো।

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।