ঢাকাশনিবার , ২৪ এপ্রিল ২০২১
  1. অর্থনীতি
  2. আইটি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. খেলাধুলা
  5. জাতীয়
  6. দিরাই শাল্লার খবর
  7. ধর্ম
  8. প্রবাস
  9. বিনোদন
  10. মুক্ত মতামত
  11. মুক্তমত
  12. মৌলভীবাজার
  13. রাজনীতি
  14. লিড নিউজ
  15. শিক্ষা

ছাত্রলীগের ‘ভুয়া পদ’ ব্যবহার করতেন দিরাইয়ের সোহেল

কালনী ভিউ
এপ্রিল ২৪, ২০২১ ১১:৩৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

কালনী ভিউ ডেস্ক::
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় স্কুলছাত্রীকে যৌন নিপীড়ন ও অ্যাসিডে মুখ ঝলসে দেয়ার হুমকির অভিযোগে মামলার পর আলোচনায় আসা সোহেল মিয়া নিজেকে ছাত্রলীগ নেতা দাবি করলেও, তিনি সংগঠনটির কর্মী বলে জানা গেছে।

সোহেল নিজেকে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সম্পাদক দাবি করলেও ওই কমিটির সাবেক নেতারা বলেছেন এটি ভুয়া।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, সুনামগঞ্জে ২০১০ সালে ১০ সদস্যের কমিটির অনুমোদন দেন তৎকালীন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাহমুদুল হাসান রিপন ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন। কমিটির সভাপতি করা হয়েছিল ফজলে রাব্বি স্মরণকে এবং সাধারণ সম্পাদক করা হয় রফিক আহমেদ চৌধুরীকে। পরে ২০১৪ সালে ১২১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি করা হয়। পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে কয়েকটি নাম নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। এর মধ্যে সোহেলের নামটিও ছিল।

২০১৭ সালে জেলা ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে সুহেল রানা নামে সদর উপজেলার একজন সদস্য পদ পেয়েছিলেন। আর জগন্নাথপুর উপজেলার এসএম সুহেল পেয়েছিলেন সহ-সম্পাদক পদ। তবে দিরাই উপজেলার সোহেল মিয়া সেই কমিটিতে ছিলেন না।

দিরাইয়ে স্কুলছাত্রীকে যৌন নিপীড়ন ও অ্যাসিড দিয়ে মুখ ঝলসে দেয়ার হুমকির ঘটনায় মামলার পর আলোচনায় আসা সোহেল মিয়া দিরাই সরকারি কলেজ শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক পদ ব্যবহার করেন। তবে ২০০৯ সালের পর কোনো কলেজ কমিটিই অনুমোদন হয়নি বলে জানিয়েছেন জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রফিক আহমেদ চৌধুরী। তিনি বলেন, দিরাইয়ের সোহেল মিয়াকে আমি চিনি না। তা ছাড়া এসএম সুহেলকে জেলা কমিটির সাবেক সহসম্পাদক বলে আমি জানি।’

দিরাই উপজেলার ছাত্রলীগের এক নেতা বলেন, সোহেল দিরাই ছাত্রলীগে গ্রুপিং সৃষ্টি করেছে। পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আজিজুর রহমান বুলবুলের নাম ব্যবহার করে সে সংগঠনে প্রভাব বিস্তার করে। অতীতে সে বখাটে ও ছাত্রদলের কয়েকজনকে নিয়ে সে ছাত্রলীগের ব্যনারে মিছিল করেছে।

জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ফজলে রাব্বী স্মরণ কালনী ভিউকে বলেন, দিরাইয়ের সোহেল মিয়া নামে কোন ছাত্রলীগ নেতাকে আমি চিনি না। এই নামের কেউ আমার কমিটির সহ-সম্পাদক ছিলেন না।

তিনি বলেন, দিরাই সরকারি কলেজে ২০০৯ সালের পর কোনো কমিটিই দেয়া হয়নি। তাহলে সে কীভাবে যুগ্ম আহ্বায়ক হবে?’

গত বৃহস্পতিবার দিরাই থানায় সোহেল মিয়া ও জেলা পরিষদের সদস্য ছেলে অভির নামে ওই স্কুলছাত্রীর বাবা মামলা করেন। এর পর থেকে সোহেল ও অভি পলাতক। তাই তাদের মন্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।